প্রাইজবন্ড কি?
প্রাইজবন্ড কি?

প্রাইজবন্ড
১। প্রাইজবন্ড কেন প্রচলন করা হয়েছে ?
উত্তর- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এই স্কীমটি চালু করে। এই প্রকল্পটি সকল শ্রেণীর জনসাধারনের সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করেই প্রবর্তন করা হয়েছে। প্রাইজবন্ড যে কোন সময় কেনা ও ভাংগানো যায়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের অভ্যন্তরীণ উৎস হতে প্রয়োজনীয় অর্থ আহরণ অনেকটাই সহজতর। প্রাইজবন্ড বিক্রির মাধ্যমে সরকার সরাসরি জনগণের নিকট থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। সরকার এ প্রকল্পের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতিও রোধ করে যা বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের মুদ্রানীতির একটি হাতিয়ার ।
২। প্রাইজবন্ড সংক্রান্ত কার্যাদি বা তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে ?
উত্তর- প্রাইজবন্ডের লেনদেন সংক্রান্ত কার্যাদি বাংলাদেশ ব্যাংক, মতিঝিল অফিসের প্রাইজবন্ড শাখা কর্তৃক সম্পাদিত হয়ে থাকে এবং প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সেখান থেকে সংগ্রহ করা যাবে। প্রাইজবন্ডের পলিসি সংক্রান্ত কার্যাদি ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট (প্রাইজবন্ড,সঞ্চয়পত্র ও সঞ্চয়বন্ড শাখা), বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয় কর্তৃক সম্পাদিত হয়ে থাকে।
৩। কোন সাল হতে প্রাইজবন্ড বাজারে প্রচলন করা হয় ?
উত্তর- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে ১০/- ও ৫০/- টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড বাজারে প্রচলন শুরু করে। ১৯৯৫ সালে ১০০/-টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড বাজারে চালূ করার সাথে ১০/- ও ৫০/- টাকা মূল্যমানের বন্ড বাজার হতে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।৪। বর্তমানে কত টাকা মূল্যের প্রাইজবন্ড বাজারে চালু আছে ?
উত্তর- বর্তমানে শুধুমাত্র ১০০/-টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড বাজারে চালু আছে। ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসের ২ তারিখ হতে উক্ত বন্ড বাজারে প্রচলন শুরু হয়।


৫। কখন কখন প্রাইজবন্ড ড্র অনুষ্ঠিত হয় ?
উত্তর- ১০০/-টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড ড্র বৎসরে চারবার অর্থাৎ প্রতি তিন মাস অন্তর অনুষ্ঠিত হয় । বছরের ৩১ জানুয়ারী, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর তারিখে ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারিত আছে। নির্ধারিত তারিখে কোন সরকারী ছুটি থাকলে ছুটির পর সরকারী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
৬। প্রাইজবন্ড কিনতে কি কোন আবেদন করতে হয় ? কোথায় প্রাইজবন্ড কেনা ও ভাংগানো যায় ?
উত্তর- না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সকল অফিসের ক্যাশ কাউন্টারসহ সকল বানিজ্যিক ব্যাংক, জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, সকল পোস্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে নগদ অর্থের বিনিময়ে প্রাইজবন্ড ক্রয় করা ও ভাংগানো যায়।
৭। প্রাইজবন্ড পুরস্কারের উপর সুদ বা আয়কর প্রযোজ্য আছে কি?
উত্তর–সরকারী নীতি মোতাবেক প্রাইজবন্ডের প্রতি পুরস্কারের উপরই ২০% হারে আয়কর নির্ধারণ করা আছে ।
৮। বিক্রিত সকল প্রাইজবন্ডই কি লটারীর আওতাভুক্ত হয় ?
উত্তর- বিক্রিত সকল বন্ডই লটারীর আওতায় আসেনা । যে তারিখে ড্র অনুষ্ঠিত হবে সেই তারিখ হতে ০২(দুই) মাস পূর্বে ( ইস্যু’র তারিখ হতে এবং ‘ড্র’ এর তারিখ বাদ দিয়ে) যে সমস্ত নতুন বন্ড বিক্রি হবে তা সহ পূর্বের বিক্রিত বন্ড ড্রয়ের আওতায় আসবে। অর্থাৎ বন্ডে নির্দেশিত বিক্রির তারিখ হতে ন্যূনতম ০২ (দুই) মাস অতিক্রমের পর উক্ত বন্ড ড্র-এর আওতায় আসবে ।

৯। কোথায় ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয় এবং কারা ‘ড্র’ অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকেন ?
উত্তর- সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এবং সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ‘ড্র’ কমিটি কর্তৃক ‘ড্র’ অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়ে থাকে।
১০। ‘ড্র’ অনুষ্ঠানের কতদিনের মধ্যে পুরস্কার দাবী করতে হয় ?
উত্তর – পুরস্কার দাবীর সময়সীমা ২বৎসর। ‘ড্র’-এর ২বৎসর পর পুরস্কার দাবীকারীর দাবী তামাদি হয়ে যায় এবং উক্ত অর্থ সরকারী হিসাবে জমা হয় ।
১১। প্রাইজবন্ডের ১ম পুরস্কার কত ?
উত্তর- প্রাইজবন্ডের ১ম পুরস্কার ৬,০০,০০০.০০ টাকা এবং প্রতি সিরিজে পুরস্কারের সর্বমোট অর্থের পরিমাণ ১৬,২৫,০০০.০০ টাকা ।
১২। প্রাইজবন্ডের প্রতি সিরিজে মোট পুরস্কারের সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর- প্রতি সিরিজের জন্য ৪৬টি পুরস্কার আছে।
১৩। ৪৬টি পুরস্কারের মধ্যে ১ম পুরস্কার থেকে মোট কয়টি কত টাকার পুরস্কার রয়েছে ?
১ম পুরস্কার-৬,০০,০০০.০০ (১টি) ১টি ৬,০০,০০০.০০
২য় পুরস্কার-৩,২৫,০০০.০০ (১টি) ১টি ৩,২৫০,০০.০০
৩য় পুরস্কার-১,০০,০০০.০০ (২টি) ২টি ২,০০,০০০.০০
৪র্থ পুরস্কার- ৫০,০০০.০০(২টি) ২টি ১,০০,০০০.০০
৫ম পুরস্কার- ১০,০০০.০০(৪০টি) ৪০টি ৪,০০,০০০.০০
৪৬টি ১৬,২৫,০০০.০০

১৪। দাবী করার কতদিনের মধ্যে পুরস্কারের অর্থ পাওয়া যায় ?
উত্তর- পুরস্কার দাবীর তারিখ হতে সব্বোর্চ ০২ মাসের মধ্যে পুরস্কারের অর্থ পাওয়া যায়।
১৫। পুরস্কারের অর্থ কি নগদ দেয়া হয় ?
উত্তর- না। প্রাপকের ব্যাংক হিসাব নম্বরে প্রদেয়। পে-অর্ডারের মাধ্যমে পুরস্কারের অর্থ পরিশোধ করা হয়।
১৬। কোথায় কিভাবে প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ দাবী করা যায় ?
উত্তর- বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কোন অফিসে অথবা তফসিলী ব্যাংকের যে কোন শাখায় অথবা যে কোন পোস্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার বিজয়ী মূলবন্ড সহ নির্ধারিত (ফরম পিবি-২৩) ফরম যথাযথভাবে পুরণ করে আবেদনপত্র জমা দিতে হয়।
১৭। ছেঁড়া বা বিকৃত প্রাইজবন্ড কি বদল বা ভাংগানো যায় ?
উত্তর- হ্যাঁ । বর্তমানে ১০/-, ৫০/- ও ১০০/- টাকা মূল্যমানের ছেঁড়া বা বিকৃত প্রাইজবন্ড বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কোন অফিসে জমা দেয়া যায়। বিনিময়যোগ্য হলে বন্ডে মূল্যমান অনুযায়ী বিনিময়মূল্য নগদ অর্থে পরিশোধ করা হয় । বিনিময় অযোগ্য হলে দাবীকারীকে মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়।
১৮। ১০/- ও ৫০/-টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড কি ভাংগানো যায় ?
উত্তর- হ্যাঁ। বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কোন অফিসে অথবা তফসিলী ব্যাংকের যে কোন শাখায় অথবা যে কোন পোস্ট অফিসে প্রাইজবন্ডের বিনিময়মূল্য প্রদান করা হয়।
১৯। প্রাইজবন্ড হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে যথাযথ প্রমাণসহ এর বিনিময় মূল্য দাবী করলে কি পাওয়া যায় কি?
উত্তর- না। যেহেতু প্রাইজবন্ড ইবধৎবৎ বন্ড তাই এর বাহকই মালিক বিধায় প্রাইজবন্ড হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে দাবীকারীকে বিনিময় মূল্য প্রদানের কোন সুযোগ নেই।
২০। কোন কোন পর্যায়ের কমকর্তা দ্বারা ‘ড্র’ কমিটি গঠিত হয় ?
উত্তর- সরকার কর্তৃক নিম্নক্তো ভাবে গঠিত কমিটি দ্বারা প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে “ড্র‘ পরিচালিত হয়ে থাকে-
চেয়ারম্যান বিভাগীয় কমিশনার (তাঁহার অনুপস্তিতে মনোনীত কোন অতিরিক্ত কমিশনার)
সচিব মহাব্যবস্থাপক, বাংলাদেশ ব্যাংক, মতিঝিল, ঢাকা ।
সদস্য/সদস্যা:
(ক) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের প্রতিনিধি হিসাবে উপ-সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।  
(খ) উপ-পরিচালক, জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তর (এক্স অফিসিও/পরিচালক কর্তৃক মনোনীত) ।  
(গ) ৩(তিন) জন বেসরকারী সদস্য
১। দৈনিক ইংরেজী পত্রিকার একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি ।
২। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির একজন প্রতিনিধি (পরিচালকের নীচে নহে) ।
৩। অধ্যক্ষ, ঢাকা’র কোন ডিগ্রী কলেজ ।
ড্রয়িং অফিসার  ৬(ছয়) জন (চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত গেজেটেড অফিসার) ।
২১। প্রাইজবন্ড সরকারী প্রকল্প, বাংলাদেশ ব্যাংক কেন এর সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে ?
উত্তর- বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ট্রেজারার হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের ব্যাংকিং সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ সম্পাদন করে থাকে। তেমনি প্রাইজবন্ড প্রকল্পের প্রাইজবন্ড বিক্রয়, ড্র অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার প্রদানের ব্যাপারেও বাংলাদেশ ব্যাংক দায়িত্ব পালন করে থাকে ।
২২।‘ ড্র’ কোন পদ্ধতিতে পরিচালিত হয় ?
উত্তর- একক সাধারণ পদ্ধতিতে ‘ড্র’ পরিচালিত হয় (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর)। বাজারে প্রচলিত প্রাইজবন্ড সিরিজসমূহ এই ‘ড্র’-এর আওতা ভুক্ত।
২৩। প্রাইজবন্ড ‘ড্র’ পদ্ধতি কেমন ?
উত্তর- বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড স্কীমের অধীনে প্রাইজবন্ড বিক্রয়, ‘ড্র’ অনুষ্ঠান এবং পুরস্কারের টাকা প্রদানের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত¦ পালন করে থাকে। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে প্রাইজবন্ড ‘ড্র’ কমিটির চেয়্যারম্যান কর্তৃক নির্দেশিত পূর্ব নির্ধারিত স্থানে ‘ড্র’ অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়ে থাকে। চেয়ারম্যান “ড্র‘ অনুষ্ঠানে সভাপতিত¦ করেন এবং
অনুমোদিত পদ্ধতি মোতাবেক ‘ড্র’ অনুষ্ঠানের বিষয়টি সুনিশ্চিত করেন । উক্ত “ড্র‘ অনুষ্ঠানটি বিটিভি বা অন্য কোন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়না, তবে বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে উক্ত ‘ড্র’ অনুষ্ঠানে প্রচুর জনসাধারণ, মিডিয়া প্রতিনিধি, সংবাদ মাধ্যম উপস্থিত থাকে ।

অদ্যাবধি উক্ত অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ ব্যাংক অত্যন্ত সফলতার সাথে সম্পন্ন করে আসছে, কখনো কোন বিরূপ পরিবেশ তৈরী হয়নি।
চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত গেজেটেড কর্মকর্তাগণ অর্থাৎ ড্রয়িং অফিসার ‘ড্র’ পদ্ধতিটি পাঠ, ড্রাম ঘুরানো, গুটি উত্তোলন, ড্রামের সংগে রক্ষিত ট্রে-তে গুটিগুলি
স্থাপন ইত্যাদি কার্যক্রম সুচারুভাবে পালন করে থাকেন এবং সদস্যগণ অন্যান্য কাজের সাথে পুরস্কার বিজয়ী নম্বর রেকর্ড করা এবং নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক ও বিরতীহীনভাবে ‘ড্র‘ অনুষ্ঠানের নিমিত্তে সার্বিক তত্ত্বাবধান করে থাকে । প্রাইজবন্ড “ড্র‘ অনুষ্ঠানের প্রায় দেড়মাস পূর্ব হতে প্রাইজবন্ড শাখার উপ-ব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে “ড্র‘ অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে স¤পাদন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হয়। প্রাইজবন্ড “ড্র‘ কমিটির সভাপতি মহোদয় ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িতে¦ নিয়োজিত প্রাইজবন্ড শাখার কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ- কে প্রাইজবন্ড নীতিমালায় বর্ণিত কার্যাবলী (পরিশিষ্ট-ক) মোতাবেক যার যার দায়িত¦ যথাযথভাবে পালন করতে হয় এবং উক্ত দায়িত¦ পালনে
ব্যত্যয় ঘটার কোন সুযোগ নেই।
২৪। পুরস্কার দাবীকারী কর্তৃক যথাসময়ে দাবীর টাকা গ্রহণ না করলে সে টাকা কি করা হয় ?
উত্তর- পুরস্কারের অর্থ দাবী করার তারিখ হতে এক বছরের মধ্যে যদি দাবীদার খুঁজে না পাওয়া যায় বা পুরস্কারের অর্থ সংগ্রহের জন্য দাবীদার না আসে তা হলে সংশ্লিষ্ট দাবীকৃত পুরস্কার সরকারী পুরস্কার গণ্য করে তা সরকারী হিসাবে জমা করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে ।
২৫। ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি কেউ পুরস্কার দাবী না করে তাহলে সে অর্থ কি করা হয় ?
উত্তর- ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ হতে ২ বৎসরের মধ্যে যদি দাবী পেশ না করা হয় বা উক্ত তারিখ হতে ২বৎসর পর দাবী পেশ করলে পুরস্কার প্রাপ্ত উক্ত বন্ডটিকে অদাবীকৃত প্রাইজবন্ড হিসেবে গণ্য করে তা সরকারী হিসাবে জমা করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে ।
২৬। প্রাইজবন্ড ছিঁড়ে বা পুড়ে গেলে উক্ত বন্ডের বিষয়ে কি করনীয় ?
উত্তর-ছেঁড়া/বিকৃত/অস্পষ্ট বন্ড সমূহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোনীত কর্মকর্তা কর্তৃক সেই সমস্ত বন্ড পরীক্ষিত হবে যিনি এই বিষয়টি সুরাহা করার জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত হবেন । এক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক একটি প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়েছে । যার আলোকে উল্লিখিত বিষয়টি সুরাহা করা হয়ে থাকে ।
২৭। ‘ড্র’-এর তথ্য কি বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েব সাইটে পাওয়া যায় ?

উত্তর- ‘ড্র’-এর তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।
ওয়েব সাইট
www.bangladeshbank.org.bd
www.bangladesh-bank.org

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here