আজ থেকে শুরু হচ্ছে ২১-২২ অর্থবছরের উপবৃত্তির অনলাইন আবেদন।
আজ থেকে শুরু হচ্ছে ২১-২২ অর্থবছরের উপবৃত্তির অনলাইন আবেদন।

আজ থেকে শুরু হচ্ছে ২১-২২ অর্থবছরের উপবৃত্তির অনলাইন আবেদন।

শিক্ষার্থী নির্বাচনের শর্তাবলীঃ
(ক) প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, এতিম, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান, নদীভাঙ্গন কবলিত পরিবারের সন্তান এবং দুস্থ পরিবারের সন্তানগণ উপবৃত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
(খ) তৃতীয় লিঙ্গধারী সকল শিক্ষার্থী উপবৃত্তি প্রাপ্য হবে এবং এদের তালিকা পৃথক ভাবে প্রেরণ করতে হবে।
(গ) উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় মোট ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার কম হতে হবে।
(ঘ) অভিভাবক/পিতামাতার মোট জমির পরিমাণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী ০.০৫ শতাংশ, পৌরসভা এলাকায় ০.২০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ০.৭৫ শতাংশের কম থাকতে হবে।
(ঙ) সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভার মেয়র/ কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা/ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রদত্ত আয় ও জমির পরিমাণ সম্পর্কিত সনদপত্র যুক্ত করতে হবে।
(চ) উপবৃত্তিপ্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীকে স্নাতক (পাস)/সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে। ২য় বর্ষ এবং ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে স্নাতক (পাস)/ সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ বা নির্বাচনী পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসাবে উত্তীর্ণ হতে হবে।
(ছ) স্নাতক (পাস)/সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর বিরতিহীনভাবে ২য় বর্ষ ও ৩য় বর্ষে অধ্যয়ন করতে হবে এবং স্নাতক(পাস)/সমমান পর্যায়ের পরীক্ষায় অংশ্রগ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, ১ম, ২য়, ৩য় বর্ষের যেকোনো বর্ষে পুনঃভর্তি হলে উক্ত শিক্ষার্থী অনিয়মিত হিসাবে বিবেচিত হবে এবং উপবৃত্তিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে না।
(জ) নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে শ্রেণিকক্ষে (ক্লাস) কমপক্ষে ৭৫% উপস্থিতি থাকতে হবে। এক্ষেত্রে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে (বাংলা/ইংরেজি) কাউন্ট করা যেতে পারে।
(ঝ) ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তিকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়/ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি এবং পাঠদানের অনুমতি থাকতে হবে।
★ শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়মাবলীঃ
(ক) প্রাথমিক নির্বাচনঃ
(১) প্রথমত, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে হতে উপরোক্ত শর্তাবলির আলোকে শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মোট আবেদিত ছাত্র এবং ছাত্রীর পৃথক তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
(২) প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ছাত্রী তালিকাকে ১০০% ধরে তার মধ্যে হতে ৭৫% ছাত্রীকে উপবৃত্তির জন্য নির্বাচন করতে হবে।
(৩) একইভাবে, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ছাত্র তালিকাকে ১০০% ধরে তার মধ্যে হতে ২৫% ছাত্রকে উপবৃত্তির জন্য নির্বাচন করতে হবে।
(খ) চূড়ান্ত নির্বাচনঃ
(১) শিক্ষার্থী নির্বাচনী কমিটি উপবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন চূড়ান্ত করবে এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নাম, শ্রেণি রোল নম্বর ও কলেজের নাম চূড়ান্ত করবেন।
(২) নির্বাচনি কমিটি উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর তালিকা চূড়ান্তভাবে প্রস্ততকালে একটি রেজুলেশন করবেন। উক্ত রেজুলেশন এর একটি কপিসহ উপবৃত্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে প্রেরণ করবেন।
★ উপবৃত্তি ও অন্যান্য ভাতার হারঃ
(শ্রেণি স্নাতক (পাস) ও সমমান+উপবৃত্তির হার+মোট টাকা+বই ক্রয়+পরীক্ষার ফিস=সর্বমোট)
★ ১ম বর্ষঃ ২০০ x ১২= ২৪০০+১৫০০+১০০০= ৪৯০০/-
★ ২য় বর্ষঃ ২০০ x ১২= ২৪০০+১৫০০+১০০০= ৪৯০০/-
★ ৩য় বর্ষঃ ২০০ x ১২= ২৪০০+১৫০০+১০০০= ৪৯০০/-
✅ জেনে রাখুনঃ
👉 শুধুমাত্র ডিগ্রি ১ম বর্ষ(২০১৯-২০),(২য় বর্ষ ২০১৮-১৮) এবং (৩য় বর্ষ ২০১৭১-১৮) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন! অর্নাসের কোনো শিক্ষার্থী উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন নাহ।
👉 ২০২০-২১ সেশন নতুন ডিগ্রি ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন নাহ! আগামী বছর আবেদন করবেন।
👉 ১,২,৩ বা ৪ সাবজেক্ট F প্রাপ্ত শিক্ষার্থীও আবেদন করতে পারবেন।
👉 Not promoted প্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে নাহ।
👉 ডিগ্রি প্রাইভেট(কোর্স) শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন নাহ।
👉 ইতিপূর্বে উক্ত সেশনের ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ে উপবৃত্তির অর্থ পেয়েছে তাদেরকেও পুনরায় অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
উপবৃত্তি আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত আপডেট পেতে গ্রুপে চোখ রাখুন

দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সানুগ্রহ অভিপ্রায় অনুযায়ী ২০১২ সালে “প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট” গঠন করা হয় । প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১২ এর বিধান অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ০৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট “উপদেষ্টা পরিষদ”-এর সভাপতি । বিদ্যমান আইনের আওতায় গঠিত ২৬ (ছাব্বিশ) সদস্যবিশিষ্ট ‘ট্রাস্টি বোর্ড’-এ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সভাপতি ।

ট্রাস্ট ফান্ড থেকে স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসা/বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, আর্থিক সহায়তা, অনুদান ও উচ্চ শিক্ষায় ফেলোশিপ প্রদান করা হচ্ছে । এতে করে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা ডিগ্রী পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে । শিক্ষার্থীদের হাতে স্বল্প সময়ে, ঝামেলাহীনভাবে উপবৃত্তির অর্থ পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ই-স্টাইপেন্ড সিস্টেম বাস্তবায়ন করছে । এই পদ্ধতির ফলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সুবিধাজনক সময়ে, স্থানে এবং পছন্দমতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাবে উপবৃত্তির অর্থ প্রদান নিশ্চিত করা হবে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার প্রসার, বাল্যবিবাহ রোধ, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ দারিদ্র্য বিমোচনে ট্রাস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তাবলি: ১. উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীকে ডিগ্রী (পাস)/ফাজিল পর্যায়ে অধ্যয়নরত নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে। ২. নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে শ্রেণিকক্ষে (ক্লাস) কমপক্ষে ৭৫% উপস্থিত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে (বাংলা/ইংরেজি) গণনা করা যেতে পারে। ৩. উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় মোট ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার কম হতে হবে। অভিভাবক/পিতামাতার মোট জমির পরিমাণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী ০.০৫ (পাঁচ) শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ০.৭৫ (পঁচাত্তর) শতাংশের কম জমি থাকতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here